টিপস

লো ফ্যাট মিল্ক কি এটি কারা খাবে এবং উপকারিতা কি

লো ফ্যাট মিল্কঃ ছোটবেলায় দেখা যেত বাড়ির নানী-দাদী বা অন্যান্যরা ঘরের গাভীর দুধ জ্বাল দিয়ে সরটুকু তুলে রাখতেন, বলতেন সরসহ দুধ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না। সেই সর থেকে ঘি করে মাঝে মাঝে ব্যবহার করতেন। বর্তমানে জ্বাল ছাড়াই খাঁটি দুধের ননী আলাদা করে দুধকে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ব্যবহার উপযোগী করা যায়। এটিই কম চর্বি যুক্ত দুধ বা লো ফ্যাট মিল্ক। বিভিন্ন নামীদামী ব্র্যান্ড একে পাউডার আকারে ডায়েট মিল্ক, ডায়াবেটিস মিল্ক, শেপ আপ নানা নামে বাজারজাত করে ভোক্তার চাহিদা পূরণ করে চলেছে।

কম চর্বিযুক্ত দুধ (লো ফ্যাট মিল্ক) যাদের জন্যঃ

  • হেলদি ডায়েট যারা মেনে চলেন
  • ল্যাকটোজেন টলারেন্স যাদের
  • যাদের ডায়াবেটিস ,উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে,নানা রোগে আক্রান্ত তারা ডক্টরের পরামর্শ মেনে খাবেন
  • ক্যালসিয়াম ঘাটতি, রক্তশূন্যতা, জয়েন্টে ব্যথা ,কোমরে ব্যথা, মেরুদন্ডের সমস্যা তাদের জন্য একটি আদর্শ
  • ত্রিশ বা বেশি বয়সের সবার জন্য

৩০ বছর বয়সে বেঁচে থাকার পরে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে একটি হল আমরা ফিটনেস হারাতে শুরু করি। আর এই ফিটনেস ধরে রাখতে আমাদেরকে লো ফ্যাট মিল্ক সাহায্য করতে পারে, সেটা আমরা অনেকেই জানিনা। ফিটনেস ধরে রাখা ছাড়া ও লো ফ্যাট মিল্ক এর রয়েছে আরো অনেক উপকারিতা।

চলুন জেনে নিই, লো ফ্যাট মিল্ক এর উপকারিতাঃ

  1. দুধে থাকা সিরোটোনিন ব্রেইনে সতেজতা বজায় রাখে
  2. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  3. ঝটপট এই খাদ্যে অভ্যস্ত হলে প্রচুর সময় বাঁচে
  4. ক্যালসিয়াম ঘাটতি দূর করে
  5. রক্তশূন্যতা দূর করে জয়েন্টে
  6. ব্যথা উপশম করে
  7. কম চর্বিযুক্ত দুধ হার্ট-স্বাস্থ্যকর খাদ্যের অংশ, হৃদরোগ, স্ট্রোক থেকে রক্ষা করে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়
  8. টাইপ – 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাসের সাথে পেশী সংকোচনের মাধ্যমে শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে
  9. কোমরে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে
  10. মেরুদন্ডের সমস্যা তাদের জন্য একটি আদর্শ
  11. এটিতে উচ্চ প্রোটিন রয়েছে যা পেশী এবং ত্বকের টিস্যুর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
  12. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখে
  13. আপনার ত্বককে সতেজ এবং তারুণ্য দেখাবে
  14. প্রজনন সমস্যা প্রতিরোধ করে
  15. হাড়ের ক্ষয় রোধ করা

লো ফ্যাট মিল্ক আমরা যেভাবে খেতে পারিঃ

  • স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দশ – বারো (১০-১২) মিনিট জ্বাল করে
  • দুগ্ধজাত যেকোনো পুষ্টিকর খাদ্য রেসিপি
  • ছানা, পনির তৈরি করে
  • স্যুপ তৈরি করে
  • মুরগির মাংস রান্না করে
  • দই করে
  • পুডিং, কাস্টার্ড ইত্যাদি তৈরি করে

তারুণ্য আর রূপচর্চায় ও কিন্তু লো ফ্যাট এর ব্যবহার রয়েছে, যেমনঃ

  1. ত্বকের ক্লিনজার বা মেক আপ রিমুভ করতে
  2. ত্বকের ডে-নাইট ক্রিম তৈরিতে
  3. চুলের যত্নে প্যাক তৈরিতে
  4. ত্বকের যত্নে প্যাক তৈরিতে
  5. বডি ম্যাসাজ বা স্পা করতে
  6. পায়ের ফাটা দূর করতে ইত্যাদি কাজে এর বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে।

খাওয়ার উপযুক্ত সময়ঃ

  • সকালের নাস্তার টেবিলে
  • বিকেলের নাস্তায়
  • রাতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *